অক্সিজেন লাইব্রেরী নিয়ে দূরদুরান্তে পৌচ্ছে যাচ্ছেন শিলিগুড়ির গবেষক দম্পত্তি
দি নিউজ লায়ন ; অক্সিজেন লাইব্রেরী নিয়ে শিলিগুড়ির দূরদুরান্তে পৌচ্ছে যাচ্ছেন গবেষক দম্পত্তি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঁছরে পড়তেই অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ছে আক্রান্তদের। অনেক ক্ষেত্রেই সঙ্কটাপন্ন রুগীকে হাসপাতালে স্তানান্তর করা সম্ভব হচ্ছেনা।সময়মতো মিলছে না প্রাণদায়ী অক্সিজেন সিলিন্ডার।সমস্যা প্রকট হচ্ছে শিলিগুড়ি মহকুমার গ্রামীন এলাকাগুলিতে। তাই মোবাইল অক্সিজেন লাইব্রেরি ভ্যান নিয়ে শিলিগুড়ির মেডিকেল মোড়ের বাসিন্দা পৌঁছে যাচ্ছেন করোনা আক্রান্তের বাড়ির দরজায়।
অনির্বান নন্দী ও তার স্ত্রী পৌলমি চাকি নন্দী দুজনেই গবেষণার কাজে যুক্ত। তার সঙ্গে ২০১৭থেকেই স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় শিলিগুড়ির প্রত্যন্ত গ্রামে কখনও মহিলাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন কখনও শিক্ষার আলো বিস্তার করতে গাড়ির পেছনের খালি জায়গাতেই সারি সারি বই সাজিয়ে মোবাইল লাইব্রেরি নিয়ে তারা পৌঁছে গিয়েছেন। আর এবারে করোনার সময়তে সেই মোবাইল লাইব্রেরিই হয়ে উঠেছে তাদের মোবাইল অক্সিজেন ভ্যান।
অনির্বান নন্দী জানান করোনার সময়তে হোম আইসোলেশনে থাকা করোনা আক্রান্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন রয়েছে এমন রুগীদের কাছে আমরা বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিচ্ছি। শিলিগুড়ি মহকুমা মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি প্রভৃতি এলাকার মানুষের কাছ থেকে আমাদের কাছে ফোন আসতে থাকে সহায়তার জন্য, এরপরই আমরা অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। এখন আমাদের কাছে তিনটি সিলিন্ডার রয়েছে আরও কিছু সিলিন্ডারের জন্য বিভিন্ন সহৃদয় মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছি।
কারন রাত বিরেতে হোম আইসোলেশনে থাকা শহর থেকে দুরদুরান্তের রুগীদের হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় পর্যন্ত মিলছে না। রুগী পরিবারের একফোনে সেসময় এই গবেষক দম্পত্তি তাদের দরজায় পৌঁছে যাচ্ছেন অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার নিয়ে। স্বেচ্ছাসেবী পৌলমি চাকি নন্দী জানান তবে তিনটি মাত্র সিলিন্ডার থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কারন একটি সিলিন্ডার কোনো করোনা রুগীকে দেওয়া হলে তা পাঁচ-ছয়দিন সেই রুগীর প্রয়োজনে লাগছে। আমার এক সপ্তাহ ধরে এই পরিষেবা শুরু করেছি।
তাতে ৫-৬জন শিলিগুড়ি মহকুমা এলাকার আক্রান্ত মানুষের কাছে আমরা সিলন্ডার পৌঁছে দিতে পেরেছি। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ও অক্সিজেনের মাত্রা দেখেই অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়া হচ্ছে রুগীদের। কারন অনেকক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে হোম আইসোলেশনে থেকে আতঙ্কে আগাম অক্সিজেন মজুদ করে রাখছেন অনেকে এতে যে রুগীর অক্সিজেন প্রয়োজন তাকে দেওয়া সম্ভব হয়না। তিনি জানান নিজেরাই অক্সিজেনের লাইনে দাঁড়িয়ে সিলিন্ডার পুনরায় ভরি।

Post a Comment